Advertisement
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস এসব তথ্য জানান।
তবে কোনো পক্ষকে সরাসরি দায়ী না করে তিনি বলেন, 'আনুমানিক ১ লাখ মানুষ ইরান ছেড়ে চলে গেছে এবং লেবাননে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।'
একই ব্রিফিংয়ে ডা. হানান বলখি জানান, ইরানি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে চারটি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কাছাকাছি স্থানে হামলার ফলে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে জাতিসংঘের এই স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছিল, রাজধানী তেহরানের একটি হাসপাতাল এ ঘটনার পর খালি করতে হয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেন, 'এখন পর্যন্ত ইরানে আমরা স্বাস্থ্যসেবার ওপর ১৩টি হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছি, যার ফলে ৩ জন নিহত হয়েছেন এবং কোনো আহতের তথ্য নেই। লেবাননের ক্ষেত্রে আমরা ৩টি হামলার সত্যতা পেয়েছি, যেখানে ৩ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন।'
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অভিযোগ করেছিলেন যে, সামরিক হামলায় ১০টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. বলখি জানান, দুবাইয়ে অবস্থিত ডব্লিউএইচও'র লজিস্টিক হাবটি সাময়িকভাবে সেবা দিতে পারছে না। এই হাব থেকে বিশ্বের কয়েক ডজন দেশে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়, কিন্তু ওই অঞ্চলে পরিবহন নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একজন মুখপাত্র বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে সামরিক হামলায় তাদের তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট