৪৫তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে ৪০তম হয়েও এএসপি পদে নিয়োগের গেজেটে নেই বগুড়ার ফাহিম
চার বছর ধরে বিসিএসের প্রস্তুতি ও সব ধাপ সম্পন্ন করে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছিলেন ফাহিম ফয়সাল; গেজেটে নাম না থাকায় কারণ জানতে চেয়েছেন তিনি।
- আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০৭:১৫:১৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০৭:১৫:১৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
৪৫তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে সুপারিশ পেয়েও চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেটে নাম আসেনি বগুড়ার ফাহিম ফয়সালের। মেধাতালিকায় ৪০তম স্থান অর্জন করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থী গেজেটে বাদ পড়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, কোনো অপরাধে জড়িত থাকলে তা স্পষ্ট করে জানানো হোক, আর অপরাধ না থাকলে তাঁকে প্রাপ্য সুযোগ দেওয়া হোক।
ফাহিম বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি, ২০১৬ সালে সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ থেকে ২০২২ সালে স্নাতক ও ২০২৫ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি বগুড়া শহরের চাঁদনী বাজার এলাকায় জনতা ব্যাংকে কর্মরত।
২০২২ সালে ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষায় অংশ নেন ফাহিম। ২০২৩ সালে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মৌখিক পরীক্ষা দেন। একই বছরের নভেম্বরে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশ পান তিনি। এরপর ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিলেও আর ভাইভা দেননি বলে জানান ফাহিম।
দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস অপেক্ষার পর ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেটে তাঁর নাম পাওয়া যায়নি। ফাহিমের ভাষ্য, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং তিনি কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। কেন তাঁকে গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বগুড়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিনও বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ফাহিমের নাম গেজেটে না আসার কারণ খতিয়ে দেখা উচিত। এদিকে ফাহিমের পরিবারও এ ঘটনায় হতাশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাহিমসহ গেজেট থেকে বাদ পড়া ৫৬ জনের বিষয়ে যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত ও ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।