ঝিনাইদহ সরকারি কেশবচন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণে বাঁধা
ঝিনাইদহ সরকারি কেশবচন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রশিবিরের আয়োজিত নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে কলেজ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে কলেজ গেটের সামনে ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়েছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৮:৩৯:১৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৮:৩৯:১৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহ সরকারি কেশবচন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীন বরণে বাধা, প্রতিবাদে রাস্তায় বরণ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলার সনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি কেশবচন্দ্র কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সরকারি কেশবচন্দ্র কলেজ শাখা। আজ বৃহস্পতিবার উক্ত অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করতে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ছাত্রশিবির। কিন্তু হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়া গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কলেজ প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কলেজে সকল ধরনের সভা-সমাবেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও বৃহস্পতিবার কলেজ ছুটি ঘোষণা করেন।
পূর্ব ঘোষিত ছাত্রশিবিরের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নবীন শিক্ষর্থীরা আসতে থাকেন এবং কলেজ গেটের সামনে এসে পুলিশ কর্তৃক বাধার স্বীকার হন। কলেজ গেটে তালা ঝুলিয়ে রাখে কলেজ প্রশাসন।
এমতাবস্থায় সরকারি কেশবচন্দ্র কলেজ ছাত্রশিবির কলেজ গেটের সামনে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়েই প্রতিবাদ সমাবেশে করেন। ঝিনাইদহ - ২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আমীর কলেজ প্রশাসনকে অবহিত করা সত্ত্বেও তারা গেট খুলতে রাজি হয়নি। তাই রাস্তাতেই সংসদ সদস্য সহ প্রতিবাদস্বরূপ নবীনবরণ ও এরপর আলাদা স্থানে নবীনদেরকে বরণ করা হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে কেশবচন্দ্র কলেজের সভাপতি বলেন, ❝আমরা গত ০৪/১০/২০২৬ ইং তারিখে কলেজ প্রশাসনের নিকট লিখিত আবেদন পত্রের মাধ্যমে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের অনুমতি গ্রহণ করি। এবং অনুমতি গ্রহনের পরেই আমরা ডেকোরেশন সহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শুরু করি। কিন্তু কলেজ প্রশাসন কোন অদৃশ্য শক্তির ভয়ে কাপুরষতার পরিচয় দিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছাত্রশিবির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানকে নস্যাৎ করতে কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেন এর জবাবদিহিতা আমরা চাই। ছাত্রদল এবং বিএনপির তাবেদারি করতে তিনি এই হীন কাজ করেছেন। এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। এবং প্রিন্সিপাল ও ভাইস-প্রিন্সিপালের পদত্যাগ দাবি করি। এই হীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকাশ পায় কলেজ প্রশাসনের অপারগতা। আর যেহেতু আমরা নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তাদের নিয়ে আমরা নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইনের আয়োজন করবো, এজন্য শিবিরের একজন ভাই থাকলেও সেটা বাস্তবায়ন করবোই ইনশাআল্লাহ এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের নবীন শিক্ষার্থী ভাইবোনদের কলেজ গেটের সামনে রাস্তাতে দাঁড়িয়েই বরণ করে নিবো।❞
কলেজ প্রিন্সিপালের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বার বার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। অবস্থানরত পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, কলেজ প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে অবস্থান করছি।
পরবর্তীতে শহরজুড়েই থমথম পরিবেশ বিরাজ করে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।