ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি কি ভেতরে গিয়ে তাদের (ইরানি শাসনব্যবস্থাকে) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’
আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক করার কথা রয়েছে। ইরান যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ ওই বৈঠকে আলোচনার অন্যতম বিষয় হতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা কোথায় আছেন এবং তাদের পরিস্থিতি কেমন, তা জানতে চান। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা তাদের প্রতি খুবই সুরক্ষামূলক ছিলাম।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থান জানতে চান ট্রাম্প। তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন, নাকি নির্বাচনের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান সামরিক অবস্থান অনির্দিষ্টকাল ধরে বজায় রাখা কঠিন। তাঁর ভাষায়, ‘একপর্যায়ে আপনাকে ঠিক করতে হবে যুদ্ধের শেষ লক্ষ্য কী।’
এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে চার দিনে দেশটির গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪ দশমিক ৩১ ডলার থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৪৩ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে ডিজেলের গড় দাম বেড়েছে ৪২ সেন্ট।
বুধবার নর্থ ক্যারোলাইনার গ্যাস্টোনিয়ায় রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইকেল হোয়াটলির পক্ষে এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের জন্য জ্বালানির দাম বাড়া ‘খুবই কম খরচ’। তবে তিনি বলেন, এই দাম আবার কমে আসবে।