অতিরিক্ত চিনি খাওয়া শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই অনেক অভিভাবক খাবারে পরিশোধিত চিনি ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক বিকল্প খোঁজেন। বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু প্রাকৃতিক খাবার মিষ্টির উৎস হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
কলা
পাকা কলা স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি। স্মুদি, ওটস বা বিভিন্ন ঘরোয়া খাবারে অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে পাকা কলা ব্যবহার করা যেতে পারে। একই সঙ্গে কলায় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানও থাকে।
খেজুর
খেজুরে প্রাকৃতিকভাবে শর্করা থাকে, যা খাবারে মিষ্টি স্বাদ যোগ করতে পারে। খেজুরের পেস্ট তৈরি করে কিছু খাবারে চিনির আংশিক বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া খেজুরে খাদ্যআঁশ ও বিভিন্ন খনিজ উপাদানও রয়েছে।
মধু
এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য পরিমিত পরিমাণে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খাওয়ালে তা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ফলভিত্তিক মিষ্টতা বেছে নিন
বিভিন্ন মৌসুমি ফলও শিশুদের প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদের সঙ্গে পরিচিত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে তারা অতিরিক্ত চিনি যুক্ত খাবারের প্রতি কম নির্ভরশীল হতে পারে।
তবুও পরিমিতি জরুরি
মধু, খেজুর বা কলা প্রাকৃতিক উৎস হলেও এগুলোতেও শর্করা থাকে। তাই শিশুদের বয়স, খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টিগত চাহিদা অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে দেওয়া উচিত।
শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো অভ্যাস হলো অতিরিক্ত মিষ্টি স্বাদের প্রতি নির্ভরতা কমানো এবং প্রাকৃতিক ও সুষম খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা।