ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ , ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
‘জেন-জি’ প্রজন্মের মন জয় করতে ইনস্টাগ্রামে কৌশল বদলাচ্ছেন মোদি বঙ্গোপসাগরে কার্গো জাহাজডুবি: নিখোঁজ বাংলাদেশি নাবিকসহ ২৪ জন ঢাকার বাস টার্মিনাল স্থানান্তর থমকে: নেপথ্যে চাঁদাবাজি ? সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সরকার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করছে: পানিসম্পদমন্ত্রী জাতীয় ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ, শুরু হবে পাইলট প্রকল্প জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন, মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি নিয়ে জল্পনা যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন নজরদারি চালু করছে ডিএমপি আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল ঝুঁকি সত্ত্বেও ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধের সম্ভাবনা কম চীনের ফ্রান্সে রেকর্ড তাপপ্রবাহে মৃত্যুর মিছিল: প্রাণ হারালেন ৭ হাজারের বেশি ট্রাম্পের জবাবে ক্যালিফোর্নিয়াকে ‘ইরানের ভূখণ্ড’ দাবি ইরানের জ্বালানি তেলের মজুত ৬ মাসে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা সরকারের ৫০তম বিসিএসের দ্বিতীয় পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ বায়তুল মোকাররমে এসি স্থাপনের নামে মূল আর্চ ভাঙার অভিযোগ ব্যাটারিচালিত রিকশায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান জ্বালানি সংকট কাটাতে সরাসরি ক্রয়ে ১৪ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন এক্সিলারেটের টার্মিনালে এলএনজি শেষ, ফের গ্যাস সরবরাহে সংকট উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-মাদরাসা ছাত্র সংঘর্ষ আরব আমিরাতে ফের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

মহারাষ্ট্রে নতুন ধর্মান্তরবিরোধী আইন নিয়ে উদ্বেগ মাও. মাহমুদ মাদানির

সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে দেওয়া ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তি গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা; আইনের অপব্যবহার বন্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ১১:৫৪:১০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ১১:৫৪:১০ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৪ বার পঠিত
মহারাষ্ট্রে নতুন ধর্মান্তরবিরোধী আইন নিয়ে উদ্বেগ মাও. মাহমুদ মাদানির ছবি সংগৃহীত
ভারতের মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তরবিরোধী নতুন আইন ‘ফ্রিডম অব রিলিজিয়ন অ্যাক্ট -২০২৬’ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি।

শনিবার (২২ আগস্ট) মুসলিম মিররের এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মহারাষ্ট্রের ফ্রিডম অব রিলিজিয়ন অ্যাক্ট – ২০২৬ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি।

এবিষয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, আইনের বেশ কয়েকটি বিধান বিবেকের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষাকে দুর্বল করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। অথচ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মাঝেই ভারতের শক্তি নিহিত।

তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের অধীনে প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের ধর্ম স্বাধীনভাবে বেছে নেওয়ার ও পালন করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি নিজের ধর্ম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাধীন না থাকেন, তাহলে সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের কোনো অর্থই থাকে না।

এছাড়াও বলেন, মহারাষ্ট্র উত্তর প্রদেশ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে এর আগে প্রণীত একই ধরনের আইনের ধারা অনুসরণ করেছে। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ইতোমধ্যে এসব রাজ্যের ধর্মান্তরবিরোধী আইনকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছে।

তিনি বিশেষভাবে ‘allurement’ এবং ‘fraudulent’—এই দুটি শব্দের অস্পষ্টতা ও ব্যাপক সংজ্ঞার বিরোধিতা করেন। তার মতে, এ ধরনের ভাষা সাধারণ ধর্মীয় শিক্ষা ও ধর্মপ্রচারের কাজকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, পরকালীন মুক্তি, নাজাত ও আধ্যাত্মিক পুরস্কার সম্পর্কে বিশ্বাস ও শিক্ষা অনেক ধর্মেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো ব্যক্তিকে ধর্মান্তরিত করার ‘প্রলোভন’ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এগুলোকে এভাবে বিবেচনা করা হলে সংবিধান-সুরক্ষিত ধর্মপ্রচারের অধিকার সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মাদানি ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, পুলিশের তদন্ত এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের মতো আইনি বাধ্যবাধকতারও সমালোচনা করেন। তার মতে, এসব ব্যবস্থা ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে এবং একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত বিবেকের বিষয়ে রাষ্ট্রকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি করে।

বিভিন্ন রাজ্যে কার্যকর থাকা ধর্মান্তরবিরোধী আইনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, এসব বিধানের অপব্যবহার করে নির্বিচারে ফৌজদারি মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটতে পারে।

তিনি বলেন, জোরপূর্বক কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তরের ঘটনা ঠেকানোর প্রকৃত উদ্যোগকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। তবে ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার নামে প্রণীত কোনো আইন যেন নিজেই সেই স্বাধীনতা সীমিত করার হাতিয়ার হয়ে না ওঠে এবং কোনো সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত না হয়—এ ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আদালত ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেনো মহারাষ্ট্রের আইনের শুধু ঘোষিত উদ্দেশ্যই পরীক্ষা না করে; বরং আইনটি রাষ্ট্রকে কী ধরনের ক্ষমতা দিচ্ছে এবং বাস্তবে সেই ক্ষমতা কী ধরনের পরিণতি তৈরি করতে পারে, তাও যেনো খতিয়ে দেখে।

সূত্র: মুসলিম মিরর

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।