ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তাহসিফের মৃত্যুতে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন দিশা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম

পশ্চিমবঙ্গে ৫ হাজারের বেশি মাইক অপসারণ, মসজিদ থেকেই ৪ হাজারের বেশি

মসজিদ থেকেই সরানো হয়েছে ৪ হাজারের বেশি মাইক, উঠেছে সমতার প্রশ্ন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০১:২৭:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-০৮-২০২৬ ০৭:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১,৫০৪ বার পঠিত
পশ্চিমবঙ্গে ৫ হাজারের বেশি মাইক অপসারণ, মসজিদ থেকেই ৪ হাজারের বেশি ছবি সংগৃহিত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে অভিযান চালিয়ে ধর্মীয় স্থানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ হাজারের বেশি মাইক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অপসারণ করা মাইকের মধ্যে চার হাজারের বেশি মসজিদ এবং প্রায় ১ হাজার ১০০টি মন্দিরের। এ নিয়ে মুসলিম সংগঠন ও মসজিদ কমিটিগুলোর পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও প্রশ্ন তুলেছে।

মসজিদ কমিটি ও কয়েকটি মুসলিম সংগঠনের অভিযোগ, অনেক এলাকায় শব্দের মাত্রা পরিমাপ বা যথাযথ যাচাই না করেই মাইক খুলে নিতে বলা হয়েছে। তাদের দাবি, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগে আপত্তি নেই; তবে মসজিদ, মন্দির, রাজনৈতিক সভা ও সামাজিক অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই একই মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম পালনের অধিকার দিয়েছে। কোনো পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই অধিকার ক্ষুণ্ন হলে সমাজে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভিডিও সংগৃহিত

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের এই অভিযানকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের পেছনে সরকারের আগের কয়েকটি সিদ্ধান্তও আলোচনায় এসেছে। মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর ১৯৫০ সালের পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের উদ্যোগ নেয় শুভেন্দু সরকার। কোরবানির ঈদের আগে বিষয়টি নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। একই সময়ে কয়েকটি মসজিদ থেকে মাইক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে। সরকারি হিসাবে, মন্দিরের তুলনায় মসজিদ থেকে অপসারণ করা মাইকের সংখ্যা প্রায় চার গুণ বেশি। এ পরিসংখ্যান সামনে রেখে সরকারের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ও প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, কোনো একটি পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত খোলা জায়গায় মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট শর্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বড় ধরনের আপত্তি না থাকলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে এর প্রয়োগের স্বচ্ছতা, লিখিত নির্দেশনা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমান মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা নিয়ে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১১

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।