ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬ , ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) , ২৬ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ দিনের সফরে দক্ষিণ সুদান ও আবেই গেলেন সেনাপ্রধান চ্যাটজিপিটির ফ্রি ব্যবহারকারীদের জন্য মেসেজ লিমিট তুলে নিল ওপেনএআই বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে দম্পতি র‌্যাব নাম পরিবর্তন হয়ে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত বগুড়ায় বাসচাপায় ৬ শ্রমিক নিহত, আহত ১৫ পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেড় হাজার মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ থাইল্যান্ডে বন্দুকধারীর গুলিতে শিক্ষক নিহত, হামলাকারীর আত্মহত্যা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে ব্ল্যাকআউটের কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভিআইপিদেরও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে ছাড় দেওয়া হবে না: মন্ত্রী বিদেশের কারাগারে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দি ২৫ শতাংশ বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকুক বা না থাকুক, ইরানে একক সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত বায়তুল মোকাররমে জুমার বয়ান ও নামাজ পড়াবেন দেওবন্দের মুহতামিম রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন জনপ্রিয় ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ভুল তথ্যে শোন অ্যারেস্ট আবেদন, বরগুনার এসআইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নতুন বাংলাদেশের পথচলার কেন্দ্র হবে: ড. ইউনূস সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে সৌদির বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতালে হামলায় ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের আচরণ ইসরায়েলের মতো: সাদিক আল-আকসা দখলের পথে ইসরায়েলীরা,হাতছাড়ার ঝুঁকিতে জরুরি বৈঠক জর্ডানের ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফুঁসে উঠেছে তিস্তা

পশ্চিমবঙ্গে ৫ হাজারের বেশি মাইক অপসারণ, মসজিদ থেকেই ৪ হাজারের বেশি

মসজিদ থেকেই সরানো হয়েছে ৪ হাজারের বেশি মাইক, উঠেছে সমতার প্রশ্ন
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০১:২৭:৫৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৮-২০২৬ ০১:৩১:২৩ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ২১ বার পঠিত
পশ্চিমবঙ্গে ৫ হাজারের বেশি মাইক অপসারণ, মসজিদ থেকেই ৪ হাজারের বেশি ছবি সংগৃহিত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে অভিযান চালিয়ে ধর্মীয় স্থানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ হাজারের বেশি মাইক সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অপসারণ করা মাইকের মধ্যে চার হাজারের বেশি মসজিদ এবং প্রায় ১ হাজার ১০০টি মন্দিরের। এ নিয়ে মুসলিম সংগঠন ও মসজিদ কমিটিগুলোর পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও প্রশ্ন তুলেছে।

মসজিদ কমিটি ও কয়েকটি মুসলিম সংগঠনের অভিযোগ, অনেক এলাকায় শব্দের মাত্রা পরিমাপ বা যথাযথ যাচাই না করেই মাইক খুলে নিতে বলা হয়েছে। তাদের দাবি, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগে আপত্তি নেই; তবে মসজিদ, মন্দির, রাজনৈতিক সভা ও সামাজিক অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই একই মানদণ্ড অনুসরণ করা প্রয়োজন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম পালনের অধিকার দিয়েছে। কোনো পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই অধিকার ক্ষুণ্ন হলে সমাজে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের এই অভিযানকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের পেছনে সরকারের আগের কয়েকটি সিদ্ধান্তও আলোচনায় এসেছে। মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর ১৯৫০ সালের পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের উদ্যোগ নেয় শুভেন্দু সরকার। কোরবানির ঈদের আগে বিষয়টি নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। একই সময়ে কয়েকটি মসজিদ থেকে মাইক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে। সরকারি হিসাবে, মন্দিরের তুলনায় মসজিদ থেকে অপসারণ করা মাইকের সংখ্যা প্রায় চার গুণ বেশি। এ পরিসংখ্যান সামনে রেখে সরকারের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ও প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলো। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, কোনো একটি পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত খোলা জায়গায় মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট শর্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বড় ধরনের আপত্তি না থাকলেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে এর প্রয়োগের স্বচ্ছতা, লিখিত নির্দেশনা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমান মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা নিয়ে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।