সোমবার (২৭ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর দুইটায় অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি সময় অঞ্চলে একযোগে এই পরীক্ষা চালানো হয়। সিডনি, মেলবোর্ন ও ব্রিসবেনের মতো বড় শহরগুলোতে ঘড়ির কাঁটা যখন দুইটা ছুঁয়েছে, তখনই নাগরিকদের ডিভাইসে সতর্কবার্তাটি পৌঁছে যায়। বার্তার স্ক্রিনে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ ছিল যে এটি একটি ‘টেস্ট অ্যালার্ট’ এবং এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (নেমা) জানিয়েছে, বর্তমানের ধীরগতির এসএমএস ব্যবস্থার পরিবর্তে ‘সেল ব্রডকাস্ট’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই নতুন সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে নেটওয়ার্কে জ্যাম থাকলেও কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট এলাকার প্রতিটি ডিভাইসে সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হবে। এমনকি ফোন ‘সাইলেন্ট’ বা ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডে থাকলেও এই সাইরেন বেজে উঠবে।
আগামী অক্টোবর থেকে ‘অসঅ্যালার্ট’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এটি মূলত দাবানল, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সুনামি কিংবা জনস্বাস্থ্যের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত জীবন বাঁচাতে ব্যবহৃত হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজকের পরীক্ষায় কিছু ডিভাইসে বার্তা পৌঁছায়নি, যা মূলত সফটওয়্যার আপডেট না থাকা বা ডিভাইসের অসামঞ্জস্যতার কারণে হয়েছে। এই ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ করে অক্টোবর নাগাদ ব্যবস্থাটিকে পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত করা হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট