বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য শুধু কী খাওয়া হচ্ছে তা নয়, বরং কতটুকু এবং কখন খাওয়া হচ্ছে সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বা ইচ্ছেমতো খাবার গ্রহণের বদলে পরিকল্পিত খাদ্যতালিকা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
সকালে খালি পেটে আগের রাত থেকে ভিজিয়ে রাখা তিন থেকে পাঁচটি আমন্ডের খোসা ছাড়িয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি ডায়াবেটিস ও হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
এ ছাড়া উষ্ণ পানির সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য রাতে ভিজিয়ে রাখা জিরার পানি সকালে খালি পেটে পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
সকালে কয়েক টুকরো পাকা পেঁপে খেলে হজমে সহায়তা পাওয়া যায়। কম ক্যালোরিযুক্ত এই ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা থাকতে পারে।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কাঁচা আমলকি খালি পেটে খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। তাদের মতে, সেদ্ধ করার তুলনায় কাঁচা আমলকিতে পুষ্টিগুণ বেশি বজায় থাকে।
সকালের নাশতায় সেদ্ধ ডিম বা অমলেট রাখা ভালো। এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ক্ষুধা কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে।
ওটস, দুধ ও পাকা কলা দিয়ে তৈরি পরিজও স্বাস্থ্যকর নাশতা হিসেবে বিবেচিত হয়। ওটস রান্না করে দুধ, মধু বা গুড় মিশিয়ে তার সঙ্গে আমন্ড, কাজু, কলা কিংবা আপেলের টুকরা যোগ করলে এটি আরও পুষ্টিকর হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের খাবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হজমে সহায়ক হতে পারে।
এ ছাড়া সকালের খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ফল খেলে শরীর দ্রুত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ফাইবার, পানি ও শক্তি পায়।
ডেস্ক রিপোর্ট