তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৬ জুলাই) পশ্চিমঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বলেন, গত শুক্রবার ধর্মতলার ঘটনায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাদের সঙ্গে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে তার দাবি, এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই। তার ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও তিনি এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ থাকা পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন।
গত শুক্রবার বিকেলে কলকাতার ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় ছয়জন সাংবাদিক আহত হন।
এ ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা হয়েছে। আহত সাংবাদিকেরা অধিকাংশ মামলা করেছেন। একটি মামলা পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে করেছে।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ বলেছেন, যারা হামলায় জড়িত, তারা তৃণমূলের কেউ নন। এ ঘটনার দায় দলের ওপর চাপানো ঠিক নয়।
শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা
এদিকে ধর্মতলার ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা করা হয়েছে। বিজেপির নেতা–কর্মীরা তার গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ একটি মামলা করার পর বলেন, ‘শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
ডেস্ক রিপোর্ট