ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ , ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খামেনির শেষ শ্রদ্ধা জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু, তেহরানে জনসমুদ্র ধেয়ে আসছে তীব্র ‘এল নিনো’, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার সতর্কতা ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় আগস্ট পর্যন্ত বন্যার শঙ্কা, উপকূলে আকস্মিক প্লাবনের আভাস সুখরঞ্জন বালি গুমের ঘটনা: সাবেক এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো কারাগারে তেহরানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন: আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রয়াণে গভীর শোক ও সংহতি প্রকাশ ট্রাম্প থেকে মুখ ফেরালেন সৌদি যুবরাজ? খামেনিকে চিরবিদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানাজা ঘিরে নজিরবিহীন প্রস্তুতি রেকর্ড তাপমাত্রায় ফুটছে সমুদ্রের পানি, বড় বিপর্যয়ের সতর্কতা বিজ্ঞানীদের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার ভেনেজুয়েলায় ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার জাবিতে নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপন ভিডিও ধারণকারী বহিরাগত আটক ভারতের উদ্বেগ উপেক্ষা করে তিস্তা প্রকল্পে ঢাকার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার চীনের শিক্ষার্থীদের প্রতি বর্ষায় অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালদ্বীপে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং ওষুধ আমদানির আগ্রহ ইরানের পরমাণু কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন জাতিসংঘের পরিদর্শকরা: আইএইএ প্রধান গ্রোসি প্রায় ২ বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করছে ভারত বেইজিংয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্যে ভাস্বর পবিত্র আশুরা: গুনাহ মাফের এক অনন্য সুযোগ,আজ এবং কাল রাখবেন রোজা। পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, স্পষ্ট করলো ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গৌরীপুরে বিজয় এক্সপ্রেসের তিন বগি লাইনচ্যুত, আহত ৭-৮ জন

ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় আগস্ট পর্যন্ত বন্যার শঙ্কা, উপকূলে আকস্মিক প্লাবনের আভাস

  • আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১০:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১০:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকায় আগস্ট পর্যন্ত বন্যার শঙ্কা, উপকূলে আকস্মিক প্লাবনের আভাস ছবি: সংগৃহীত
উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। সংস্থাটি বলছে, বর্ষার এই সময়টিতে জলবায়ুগত কারণেই বন্যার ঝুঁকি বেশি থাকে। একই সঙ্গে চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হলে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলেও আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘জলবায়ুগত কারণে বাংলাদেশে জুলাই ও আগস্ট মাসে প্রায় প্রতি বছরই বন্যার ঝুঁকি থাকে। এ সময়ে দেশের প্রধান নদীগুলোর অববাহিকা ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়, যার প্রভাব পড়ে দেশের নদ-নদীতে। সে কারণেই চলতি বছরের জুলাই ও আগস্টে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ নদী অববাহিকার জন্য ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই বন্যার পূর্বাভাস দিতে সক্ষম এফএফডব্লিউসি। তবে উপকূলীয় নদীগুলোর ক্ষেত্রে তিন দিন আগে পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব।

বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সারদার উদয় রায়হান বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার কিছু নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। তবে উজানে নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাত না হলে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। একই সময়ে মেঘনা অববাহিকাতেও বড় ধরনের অবনতির আশঙ্কা নেই।

তবে চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রকাশিত এফএফডব্লিউসির সর্বশেষ বন্যা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদী ব্যবস্থার পানির স্তর কিছুটা কমেছে। তবে আগামী চার দিনে আবারও তা বাড়তে পারে এবং পঞ্চম দিনে স্থিতিশীল থাকতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৪ থেকে ৭ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া আগামী পাঁচ দিনে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির স্তর বাড়লেও তা বিপৎসীমার নিচে থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা (উচ্চ মেঘনা) নদ-নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে। ফলে এসব জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত থাকতে পারে।

বর্তমানে নীলফামারীর ডালিয়া ও লালমনিরহাটের তারাপুর পয়েন্টে তিস্তা নদী, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারকুলিতে কুশিয়ারা নদী এবং নেত্রকোনার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি নিজ নিজ সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে বর্ষা মৌসুমের জুলাই-আগস্টেই দেশের সবচেয়ে বড় বন্যাগুলো হয়েছে। ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। ১৯৯৮ সালের বন্যা দুই মাসের বেশি স্থায়ী হয়ে এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটায় এবং প্রায় তিন কোটি মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা—এই দুই বৃহৎ নদী অববাহিকায় একই সময়ে উচ্চপ্রবাহ দেখা দিলে বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়। ২০০৪ সালের বন্যায় এমন পরিস্থিতিই সৃষ্টি হয়েছিল। পরে ২০২২ ও ২০২৪ সালের বড় বন্যাতেও সম্মিলিতভাবে এক কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন, যা উজানের অতিবৃষ্টিজনিত ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দেয়। সূত্র: বাসস

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট