রমজা অবস্থায় দুপুরে কিছুক্ষণ ঘুমানো সাধারণত শরীরের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। সেহরির কারণে ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়ায় অনেকের ঘুম কম হয় এবং শরীরে ক্লান্তি জমতে পারে। তাই দিনের মাঝামাঝি অল্প সময়ের বিশ্রাম শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে স্বাস্থ্যকর উপকার পেতে হলে নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মেনে ঘুমানো ভালো।
রোজা রেখে দুপুরে অল্প সময় ঘুমালে শরীরের ক্লান্তি কমে এবং শক্তি ফিরে আসে। সেহরির কারণে রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে দিনের মাঝখানে ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। এতে বিকেল পর্যন্ত কাজ করার শক্তি পাওয়া যায় এবং সারাদিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে।
অনেকের ক্ষেত্রে রোজার সময় মাথা ভার লাগা, ঝিমুনি বা মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দুপুরে সংক্ষিপ্ত সময়ের ঘুম এসব সমস্যাও কিছুটা কমাতে পারে। বিশেষ করে যারা পড়াশোনা বা মানসিক মনোযোগের কাজ করেন, তাদের জন্য এটি মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
তবে ঘুমের সময়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের ঘুমকে সবচেয়ে উপকারী ধরা হয়। এর বেশি সময় ঘুমালে শরীর ভারী লাগতে পারে এবং অলসভাব তৈরি হতে পারে। এছাড়া বিকেল বা ইফতারের খুব কাছাকাছি সময়ে ঘুমানো এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এতে রাতের ঘুমের রুটিনে সমস্যা হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে পর্যাপ্ত পানি পান, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত বিশ্রামের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখা সম্ভব। তাই দুপুরের সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম অনেকের জন্য রোজার সময় শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট