শবে কদরের বিশেষ দোয়া: হাদিসে বর্ণিত যে দোয়া পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন নবী ﷺ
- আপলোড সময় : ১০-০৩-২০২৬ ১০:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৩-২০২৬ ০৫:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৯ বার পঠিত
পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ রাত হলো লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই মহান আল্লাহ মানবজাতির পথনির্দেশনার জন্য পবিত্র কোরআন নাজিল করেন। তাই রমজানের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এই বরকতময় রাতের কারণে। মুসলমানরা এ রাতে অধিক ইবাদত-বন্দেগি, দোয়া ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন।
পবিত্র কোরআনের -এ এই রাতের মর্যাদা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ রাতে ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন এবং ফজর পর্যন্ত শান্তি ও কল্যাণ বিরাজ করে।
ইসলামী সূত্রে জানা যায়, রমজানের শেষ দশকের যেকোনো বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই মুসলমানদের এই সময় বিশেষভাবে ইবাদত-বন্দেগিতে মনোযোগী হতে উৎসাহিত করা হয়।
হাদিসে বর্ণিত আছে, উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) একবার জানতে চান, যদি তিনি লাইলাতুল কদর নির্দিষ্টভাবে জানতে পারেন তাহলে কোন দোয়া পড়বেন। তখন মহানবী ﷺ তাকে একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়ে দেন।
সেই দোয়াটি হলো—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ العَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও মহানুভব। আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।
হাদিস গ্রন্থতে (হাদিস: ৩৫১৩) বর্ণিত এই দোয়াটি লাইলাতুল কদরে বেশি বেশি পড়ার জন্য মুসলমানদের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ইসলামি শিক্ষাবিদদের মতে, এই রাতের ইবাদত, দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা মানুষের গুনাহ মাফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।