আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাঁদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার জন্য মোট ২৩ দিন সময় পাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর আগামী ১৬ মার্চ থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে পারবেন। আজ শনিবার (৭ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। নতুন তফসিল অনুযায়ী, এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাসদ (মার্কসবাদী)-র মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম। বর্তমানে এই আসনে আপিল আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। তবে তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি নিজের কাছে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি আইন অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষিত হয়। এই আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার। তাঁদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, আপিল নিষ্পত্তি হবে ১১ মার্চ এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ। এরপর ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ১৬ মার্চ থেকে প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করবেন। প্রার্থীরা ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণার সুযোগ পাবেন। নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট