ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালালে কর্মীদের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কিনেমাস্টার বাংলাদেশিদের জন্য ওয়াটারমার্ক ছাড়া ব্যবহারের সুযোগ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ যুক্ত করতে ভারনোভার চুক্তি ভারত-ইরান বাণিজ্য চুক্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ছায়েদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সড়ক নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি স্থাপন: প্রধানমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের আশা প্রকাশ ট্রাম্পের নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা নবম পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাও আসছেন নেপালে বন্যায় মৃত ৯৩৯, এক বাড়ি থেকেই উদ্ধার ২৩ লাশ ৪৫ বছর পর জিয়া হত্যার পুনঃতদন্তে নতুন সূত্র ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির

দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতায় জাপান

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২১-০৪-২০২৬ ১১:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৪-২০২৬ ১১:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৬০ বার পঠিত
দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতায় জাপান দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় জাপানে উচ্চ সতর্কতা জারি। আফটারশকের ঝুঁকিতে প্রস্তুতি জোরদার করছে কর্তৃপক্ষ।
জাপানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ইওয়াত উপকূলের কাছে সোমবার (২০ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর দেশটির কর্মকর্তারা নতুন করে সতর্কতা জারি করেছেন। তারা বলছেন, আগামী সপ্তাহে আরো বড় ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে।
 
ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয় এবং মানুষকে দ্রুত নিরাপদ উঁচু স্থানে সরে যেতে বলা হয়। ৩ মিটার পর্যন্ত সুনামি ঢেউয়ের আশঙ্কাও করা হয়েছিল।
 
রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে ইওয়াতে অঞ্চলের সমুদ্র এলাকায় এই ভূমিকম্প হয়। এর ফলে হাজার হাজার মানুষকে উপকূল ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় যেতে হয়। তবে বাস্তবে সবচেয়ে বড় সুনামি ঢেউ ছিল প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার। কয়েক ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।
 
এরপরও জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, সামনে আরো শক্তিশালী ভূমিকম্প হতে পারে, যা বড় ধরনের সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
 
তারা বলছে, ৮.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা এখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি। এই সতর্কতায় অনেকেই আতঙ্কিত, কারণ ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও তাজা। সেই সময়ের সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায় এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে।
 
সোমবারের ভূমিকম্পটি সমুদ্রের নিচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব হনশু ও হোক্কাইডো অঞ্চলেও পড়ে। এমনকি টোকিওতেও কম্পন অনুভূত হয়।
 
জাপানের হোক্কাইডো অঞ্চলে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরও সুনামি সতর্কতা চালু ছিল। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
 
হোক্কাইডোতে বসবাসকারী মায়ানমারের নাগরিক চাও সু থুয়ে বলেন, ভূমিকম্পের সতর্কতা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই সবাই নিচে নেমে আসে। তবে তিনি জানান, এবার কম্পন তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
 
তিনি আরো বলেন, এলাকাজুড়ে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে মানুষকে সম্ভাব্য সুনামি সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে এবং সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। অফিস কর্মীদেরও আগেই ছুটি দেওয়া হয়েছে।
 
ভূমিকম্পের কারণে কিছু বুলেট ট্রেন চলাচলে সমস্যা হয় এবং প্রায় ১০০টি বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জাপানের ক্যাবিনেট সচিব মিনোরু কিহারা জানান, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর তখনও পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতেই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
 
সুনামি সতর্কতা জারির পর জাপানের পূর্ব উপকূলের বিভিন্ন অঞ্চলে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়। সতর্কতার মাত্রা ছিল তিনটির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। মানুষকে উপকূল ও নদীর তীর ছেড়ে উঁচু জায়গা বা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হয়।
 
জাপান আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানায়, সুনামির ঢেউ বারবার আঘাত করতে পারে, তাই সতর্কতা তুলে না নেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ জায়গা ছেড়ে না যেতে বলা হয়। একই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, যিনি সবাইকে আরো উঁচু ও নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জানান। পরে সতর্কতার মাত্রা কমিয়ে আনা হয় এবং মধ্যরাতের কিছু আগে তা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়।
 
জাপান ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রতি বছর প্রায় এক হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প হয়। বিশ্বে ৬.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় ১০শতাংশ জাপানেই ঘটে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।