দেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশটি জারি করেন। সংশোধিত আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ হিসেবে স্বীকৃত, তাদের ক্লাউডে সংরক্ষিত সমস্ত তথ্যের একটি সিঙ্ক্রোনাইজড রিয়াল-টাইম কপি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরেই সংরক্ষণ করতে হবে। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তথ্যের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সংশোধিত এই অধ্যাদেশে শাস্তির বিধানেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। মূল আইনের ৪৮ ধারায় আগে বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড—উভয় বিধানের সুযোগ থাকলেও, নতুন সংশোধনীতে কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এই ধারার অধীনে বিচার্য অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীকে শুধুমাত্র আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম জানান, আইনের প্রয়োগ সহজতর এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই এই সংস্কার আনা হয়েছে। এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সূত্র: বাসস)
ডেস্ক রিপোর্ট