বেলুচিস্তানে সমন্বিত হামলায় ১০ নিরাপত্তা সদস্যসহ নিহত ২১, দায় স্বীকার বিএলএ
- আপলোড সময় : ৩১-০১-২০২৬ ১১:০২:০৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-০১-২০২৬ ১১:০২:০৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমন্বিত হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১১ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সহিংসতায় দীর্ঘদিন ধরে অস্থির এই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শনিবার ভোররাতে প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এই হামলা চালানো হয়। নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে একাধিক দল বিভক্ত হয়ে বন্দুকধারীরা শহরের বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশনকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে।
বেলুচিস্তানে কয়েক দশক ধরে চলমান বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তঘেঁষা খনিজসম্পদসমৃদ্ধ এই প্রদেশে সক্রিয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নিয়মিতভাবে নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি স্থাপনা এবং স্থানীয় নন এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।
শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সংগঠনটি দাবি করেছে, তারা সামরিক স্থাপনা, পুলিশ ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে একাধিক বন্দুক হামলা ও আক্রমণ চালিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা জানায়, এটি একটি সুপরিকল্পিত সমন্বিত হামলা ছিল, যা প্রদেশের অন্তত ১২টির বেশি স্থানে সংঘটিত হয়। পাল্টা অভিযানে কমপক্ষে ৬৭ জন বিএলএ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে বেলুচিস্তান প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র শহীদ রিন্দ জানিয়েছেন, হামলার সময় নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় এবং বিএলএ-র অধিকাংশ হামলা ব্যর্থ করে দিতে সক্ষম হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।