আহতদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। দগ্ধ দুজনের অবস্থা বিবেচনায় তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. হারুন অর রশিদ জানান, দগ্ধ কামরুলের (২০) শরীরের ৮ শতাংশ এবং জসিমের (২৮) শরীরের ৩ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে তারা বিপদমুক্ত হলেও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, আহত বাকি ৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ক্যাশিয়ার শাহ আলমের (৪৫) অবস্থা গুরুতর বলে কোনো কোনো সূত্রে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ বা রেগুলেটরে লিকেজ থাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভবনের তৃতীয় তলার রান্নাঘরটি বিস্ফোরণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ডেস্ক রিপোর্ট