উইঘুর নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশকারী চীনা মানবাধিকার কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়
- আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৫:০৮:১৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৫:০৮:১৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
চীনের শিংজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ভিডিও ধারণ ও প্রকাশের অভিযোগে আলোচনায় আসা এক চীনা মানবাধিকার কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার পর গুয়ান হেং নামের ওই যুবককে অবশেষে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গুয়ান হেং ২০২০ সালে শিংজিয়াংয়ের বিভিন্ন বন্দিশিবিরের দৃশ্য গোপনে ধারণ করেন। এসব স্থানে এক মিলিয়নের বেশি উইঘুর মুসলিমকে আটক করে রাখার অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসছে। ভিডিওগুলো প্রকাশের পর নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির মুখে চীন ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
চীন থেকে পালিয়ে প্রথমে হংকং, পরে ইকুয়েডর ও বাহামাস হয়ে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন গুয়ান। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। তবে কয়েক বছর ধরে তার আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন তিনি।
অভিবাসন সংক্রান্ত কঠোর নীতির কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে গত বছরের আগস্টে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তাকে উগান্ডায় পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে মানবাধিকারকর্মী, সাধারণ নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদের মুখে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
শেষ পর্যন্ত প্রশাসন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে গুয়ান হেংকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়। জানা গেছে, তিনি শিংজিয়াংয়ের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বন্দিশিবিরের ভিডিও ধারণ করলেও অধিকাংশ ভিডিও চীন ছাড়ার পর প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডসসহ একাধিক পশ্চিমা দেশ উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনের আচরণকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করে আসছে। যদিও বেইজিং বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।