প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক ফ্রন্ট লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে। এসডিএফ-এর পক্ষ থেকে কামিক কামি ও ড্রোন হামলার পাশাপাশি ভারী গোলন্দাজ বাহিনীর ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দামেস্ক। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী উভয় পক্ষের সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার কথা থাকলেও, প্রথম দিনেই এই ধরনের প্রাণঘাতী হামলা সিরিয়ার ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়াকে আবারও গভীর সংকটে ফেলেছে। আহত সেনাসদস্যদের নিকটস্থ সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে, এই হামলার বিষয়ে এসডিএফ-এর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, এই ধরনের ক্রমাগত আক্রমণ যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ব্যর্থ করে দিতে পারে এবং সিরিয়ায় পুনরায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট