বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আন্তর্জাতিক রীতিনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই বিশ্বনেতাদের আইনের সীমানা লঙ্ঘন করা উচিত নয়। যদিও যুক্তরাজ্য ২০২৪ সালের ভেনেজুয়েলার বিতর্কিত নির্বাচনের ফলাফল এখন পর্যন্ত স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও তারা সরাসরি সামরিক আগ্রাসনের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে ছিল। দীর্ঘ সময় ধরেই কিউবা ও ভেনেজুয়েলাসহ ওই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক চাপ দিয়ে আসছিল লন্ডন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক এই সামরিক পদক্ষেপের পর ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান এখন বেশ সতর্ক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন এই আগ্রাসন ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার ইউরোপীয় মিত্রদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। একদিকে যুক্তরাজ্য মাদুরো সরকারের সমালোচনা করে আসছে, অন্যদিকে তারা সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রধানকে এভাবে আটকের আন্তর্জাতিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। বর্তমানে ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি থাকায় এবং ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হওয়ায় লন্ডন পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য এটিই ইঙ্গিত দেয় যে, ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া একতরফা এই সামরিক সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ দায়ভার আপাতত নিতে রাজি নয় যুক্তরাজ্য।
ডেস্ক রিপোর্ট