বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
পশ্চিম তীর, আফগানিস্তান ও ভারতে সাংবাদিকদের বাধার মুখে পড়ার খবর
- আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৬ ১১:০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-১০-২০২৬ ১১:০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৬ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আটক এবং সংবাদমাধ্যমের সম্প্রচার বন্ধের ঘটনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের বাধার মুখে পড়ার একাধিক ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রকাশিত দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতার ঘটনা নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় ওয়াশিংটন পোস্টের পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী হেইডি লেভিন হামলার শিকার হন। মুখোশধারী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সংবাদমাধ্যমটি ঘটনার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আফগানিস্তানে বিবিসির বেতার সম্প্রচার বন্ধের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। তালেবান কর্তৃপক্ষ এফএম চ্যানেলগুলোতে বিবিসির বেতার সম্প্রচার স্থগিত করেছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির শ্রোতাদের কাছে সংবাদ ও তথ্য পৌঁছানোর সুযোগ সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রচার বন্ধের কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কিছু লঙ্ঘনের কথা বললেও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতেও বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের আটক ও হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। ভোটার তালিকার পরিবর্তন নিয়ে তরুণদের নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় অন্তত ৩৭ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগও রয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছে।
সাংবাদিকদের কাজ হলো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘটনা তুলে ধরা এবং মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলা, আটক কিংবা সম্প্রচার বন্ধের মতো ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ বজায় রাখা গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজরদারি ও জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এনেছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।