দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত; জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ।
- আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং তাঁর অবৈধভাবে অর্জিত ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কৌঁসুলি দেলোয়ার জাহান রুমী জানান, জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সিয়ামকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রায় ঘোষণার দিন সিয়ামকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টা ৯ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠে তাঁর উপস্থিতিতে রায় পড়া শুরু করেন। প্রায় ১১ মিনিট পর রায় ঘোষণা শেষ হয়। পরে সাজা পরোয়ানা জারির মাধ্যমে তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন মামলাটি করেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৭ জুন একই আদালত সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান সিয়াম।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১৫ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত দিনেই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।