ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬ , ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২১ সফর ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১ এ আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু পতেঙ্গা-হাতিয়া-কুতুবদিয়া শিপিং চ্যানেলে জালের জড়ালে মারাত্মক নৌ-ঝুঁকি রূপপুর গ্রিন সিটিতে রুশ নাগরিকদের মারামারি: নিহত ১ গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত শহীদ মিনারের সেই ঐতিহাসিক "এক দফা" -র ২ বছর পূর্তি ইরানের গোপন তথ্য ইসরায়েলে পাচারের অভিযোগে দুই নাগরিকের মৃত্যুদন্ড জুলাই আন্দোলনে দায়িত্বে থাকা ৪১ পুলিশ কর্মকর্তা এখনো বহাল চুয়াডাঙ্গায় পারিবারিক বিরোধে বুলডোজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর মস্কোর রেস্তোরাঁয় বোমা বিস্ফোরণ: নিহত ৩ সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে অংশগ্রহণ ইরানবিরোধী নয়: হুমায়ুন কবির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির গুঞ্জন আগস্টে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ও স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ করতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করল ইসি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর ও বিয়েতে কেউ বাধা দিতে পারবে না: এলাহাবাদ হাইকোর্ট ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচল ও নদীদূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ইন্দোনেশিয়ায় যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন, নিহত ৫ ও নিখোঁজ ৪১ চীনে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের বেড়ে ২৫, সুপার টাইফুনের শঙ্কা রংপুরে এএসআই নিয়োগে জাল প্রবেশপত্র চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার ফার্মগেটে বোমাতঙ্ক: গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান ডেমপির

প্রধান বিচারপতি থেকে রাষ্ট্রপতি - আবু সাদাতের পথচলা

সংকটকালীন রাষ্ট্রগঠন ও বিচারব্যবস্থার বিকাশে বিচারপতি সায়েম
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০৩:১৮:৪৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৮-২০২৬ ০৩:২৫:০৫ অপরাহ্ন
  • ৫ মিনিট পড়ার সময়
  • ২৩ বার পঠিত
প্রধান বিচারপতি থেকে রাষ্ট্রপতি - আবু সাদাতের পথচলা ছবি: সংগৃহীত
 
ইরফান ইবনে আমিন পাটোয়ারী, শিক্ষার্থী, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
 
বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাঁদের জীবন ও কর্ম কেবল একটি পেশাগত পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং জাতির সংকটময় মুহূর্তেও তাঁদের ভূমিকা রাষ্ট্রের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম সেই ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম।
 
তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি, একজন প্রাজ্ঞ আইনজ্ঞ, সংবিধান ও বিচারব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিচারক এবং পরবর্তীকালে এক জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তিত্ব। বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আসন থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তাঁর উত্তরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
১৯১৬ সালের ২৯ মার্চ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রংপুরে তাঁর জন্ম। শৈশব থেকেই তিনি অসাধারণ মেধার পরিচয় দেন। রংপুর জেলা স্কুল, কারমাইকেল কলেজ এবং কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়নের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজ থেকে আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর আইনজীবী জীবনের সূচনা ঘটে।
 
দেশভাগের পর তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং নবগঠিত ঢাকা হাইকোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি শুধু আদালতেই নয়, পেশাগত সংগঠনগুলোর নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ঢাকা হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ও সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পূর্ব পাকিস্তান লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ অলংকৃত করেন।
 
বিচারপতি হিসেবে তাঁর কর্মজীবনের সূচনা হয় ১৯৬২ সালে, যখন তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। পরবর্তী সময়ে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর দেশত্যাগ ও উচ্ছেদের কারণ অনুসন্ধান কমিশন, নির্বাচনসীমা নির্ধারণ কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এসব দায়িত্ব তাঁর বিচারিক চিন্তাকে আরও বাস্তবমুখী ও রাষ্ট্রপরিচালনা সংশ্লিষ্ট করে তোলে।
 
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল একটি স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্রে প্রশাসনিক কাঠামোর পাশাপাশি বিচার বিভাগকেও নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম স্বাধীন বাংলাদেশের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
 
একই বছরের ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠার পর দেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে বিচার বিভাগের সাংগঠনিক ভিত্তি নির্মিত হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
 
প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সংবিধানের শাসন, বিচারিক স্বাধীনতা এবং আইনের সর্বোচ্চতার প্রতি অবিচল আস্থা। তিনি বিশ্বাস করতেন যে রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব নির্ভর করে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থার ওপর। তাঁর প্রদত্ত বহু রায় পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক আইন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বিশেষভাবে বেরুবাড়ী মামলায় তাঁর রায় বাংলাদেশের ভূখণ্ড-সংক্রান্ত সাংবিধানিক প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে এবং পরবর্তীকালে সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়।
 
বিচারপতি সায়েমের কর্মজীবনের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় শুরু হয় ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড, ধারাবাহিক সামরিক অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার পর দেশের ক্ষমতার ভারসাম্য ভেঙে পড়ে। এমন এক সংকটময় পরিস্থিতিতে তাঁকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। একইসাথে তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করেন। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়, যখন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল।
 
রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। একদিকে অনেক গবেষক মনে করেন, বিচারপতি হিসেবে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা সেই সময় রাজনৈতিক সংঘাত প্রশমনে সহায়ক হয়েছিল এবং একটি অন্তর্বর্তী স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সামরিক বাহিনীর প্রবল প্রভাবের মধ্যে তাঁর রাষ্ট্রপতিত্ব প্রকৃত অর্থে পূর্ণ স্বাধীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের সুযোগ পায়নি। ফলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর সিদ্ধান্তগুলোর মূল্যায়ন করতে হলে সমসাময়িক রাজনৈতিক বাস্তবতা, সামরিক শক্তির ভূমিকা এবং সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতাকে একসাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
 
রাষ্ট্রপতি থাকাকালে তিনি প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তবে সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তির জটিল সমীকরণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাস্তবে সীমিত ছিল। পরবর্তীকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান।
 
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের বিচারিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল আইনের ব্যাখ্যায় সংযম, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য এবং সাংবিধানিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধা। তিনি বিচারকের ব্যক্তিগত মতাদর্শের পরিবর্তে আইনের ভাষা ও সাংবিধানিক উদ্দেশ্যকে গুরুত্ব দিতেন। তাঁর রায়ে প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমা, নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন গুরুত্বের সাথে প্রতিফলিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর নবগঠিত বিচারব্যবস্থায় এই দৃষ্টিভঙ্গি দীর্ঘমেয়াদে একটি পেশাদার বিচারিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।
 
তিনি কেবল বিচারক বা রাষ্ট্রপতি হিসেবেই নন, একজন লেখক হিসেবেও স্মরণীয়। তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ "At Bangabhaban: Last Phase" বাংলাদেশের ১৯৭৫-৭৭ সালের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও গ্রন্থটি লেখকের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে, তবুও সমসাময়িক রাজনৈতিক ইতিহাস গবেষণায় এটি একটি মূল্যবান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের সবচেয়ে বড় অবদান সম্ভবত প্রতিষ্ঠান নির্মাণে। স্বাধীন রাষ্ট্রে বিচার বিভাগের সাংগঠনিক কাঠামো, বিচারিক প্রশাসনের ভিত্তি এবং সর্বোচ্চ আদালতের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এমন এক সময়ে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন, যখন দেশের সংবিধান, আইন এবং বিচারিক প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত নবজাত অবস্থায় ছিল। তাঁর পেশাদার নেতৃত্ব সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর রূপ দিতে সহায়তা করে।
 
রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইনবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচারপতি সায়েমের জীবন একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। তাঁর কর্মজীবনে বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং সামরিক প্রভাবাধীন রাজনৈতিক বাস্তবতা এক বিন্দুতে মিলিত হয়েছে। ফলে তাঁকে মূল্যায়ন করতে হলে কেবল একজন রাষ্ট্রপতি বা প্রধান বিচারপতি হিসেবে নয়, বরং একটি নবীন রাষ্ট্রের সংকটকালীন সাংবিধানিক ইতিহাসের অংশ হিসেবে দেখতে হয়।
 
১৯৯৭ সালের ৮ জুলাই তাঁর মৃত্যু হলেও বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রচিন্তায় তাঁর অবদান আজও প্রাসঙ্গিক। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা নিয়ে সমসাময়িক আলোচনায় তাঁর কর্মজীবন বারবার ফিরে আসে। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে বিচার বিভাগের নেতৃত্ব কেবল আদালতের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়; প্রয়োজনে তা রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ স্তরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
 
যদিও তাঁর রাষ্ট্রপতিত্ব রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়, তবুও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অবদান এবং বিচারিক উত্তরাধিকার দেশের আইন ও সাংবিধানিক ইতিহাসে স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে। বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন এক ব্যক্তিত্ব, যাঁর জীবন বিচার, সংবিধান, রাষ্ট্রগঠন এবং রাজনৈতিক রূপান্তরের এক অনন্য সংযোগরেখা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।