২৮ জুলাইয়ের ঘটনা নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্যে বিতর্ক
ডিবি হেফাজতে দেওয়া ঘোষণাকে ঘিরে জোরপূর্বক চাপের অভিযোগ ও বিক্ষোভ
- আপলোড সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১০:৫৬:১২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-০৭-২০২৬ ১১:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
২০২৪ সালের ২৮ জুলাই ডিবি কার্যালয় থেকে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের দেওয়া কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণাকে ঘিরে তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহ ও সমালোচনা তৈরি হয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়ে।
সেদিন ভোরে পাঁচ সমন্বয়কের পর আরও এক সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুমকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে রাতে ডিবি হেফাজতে থেকেই সমন্বয়কদের একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ পায়, যেখানে নাহিদ ইসলামকে লিখিত বক্তব্য পড়ে সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে দেখা যায়।
পরবর্তীতে আটক থাকা কয়েকজন সমন্বয়ক তাদের অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমকে জানান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার দাবি করেন, তাকে হাত ও চোখ বেঁধে দীর্ঘ সময় ঝুলিয়ে রেখে মারধর করা হয়েছে। আরেক সাবেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ডিবি কার্যালয় থেকে চাপ প্রয়োগ করে ভিডিও বার্তা নেওয়া হয়েছিল এবং সেটি প্রচার করা হবে তা আগে জানানো হয়নি।
এদিকে, অন্য সমন্বয়করা অভিযোগ করেন যে, জিম্মি করে এ ধরনের ঘোষণা আদায় করা হয়েছে। একই সময়ে আন্দোলনের বিভিন্ন পক্ষ নতুন করে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগেই বিকল্প নেতৃত্ব প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেন, পরিস্থিতি এমন ছিল যে পেছনে ফেরার সুযোগ ছিল না।
এদিন সমন্বয়ক আব্দুল কাদের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ঢাকার আটটি স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সহিংসতায় প্রাণহানির বিষয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ১৪৭ জনের মৃত্যুর তথ্য জানান।
পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা ডিবি কার্যালয়ের সামনে প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে দেয়ালে লিখে দেয় হারুনের ভাতের হোটেল, যা ঘটনাটিকে ঘিরে জনমনে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।