আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু, জলপাই কিংবা অন্যান্য মৌসুমি ফল খাওয়ার পর অধিকাংশ মানুষ বীজ ফেলে দেন। তবে এসব বীজ সংরক্ষণ করে উপযুক্ত খোলা জায়গায় ছড়িয়ে দিলে বা রোপণ করলে ভবিষ্যতে নতুন গাছ জন্মানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ফলের বীজ নষ্ট হয়ে যায়। অথচ এসব বীজের একটি অংশও যদি খোলা মাঠ, রাস্তার ধারের ফাঁকা জায়গা, চরাঞ্চল বা অন্যান্য উপযুক্ত স্থানে রোপণ করা যায়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে সবুজায়ন বৃদ্ধি পেতে পারে।
গাছ শুধু ফলই দেয় না; এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ু বিশুদ্ধকরণ, ছায়া প্রদান এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ফলের বীজকে অপচয় না করে সম্ভাব্য সম্পদ হিসেবে দেখার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বীজ সংগ্রহের ক্ষেত্রে পচা বা ক্ষতিগ্রস্ত বীজ বাদ দিয়ে সুস্থ বীজ নির্বাচন করা ভালো। অনেক ক্ষেত্রে বীজ কিছুদিন শুকিয়ে সংরক্ষণ করে পরে রোপণ করা যায়। তবে কোন বীজ কীভাবে রোপণ করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কৃষি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।
গাছ লাগানোর জন্য এমন স্থান নির্বাচন করা প্রয়োজন, যেখানে ভবিষ্যতে গাছটি স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারবে এবং মানুষের চলাচল বা অবকাঠামোর ক্ষতির কারণ হবে না।
পরিবেশ সংরক্ষণে বড় উদ্যোগের পাশাপাশি ছোট ছোট ব্যক্তিগত উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলের বীজ সংরক্ষণ ও উপযুক্ত স্থানে রোপণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও সবুজ বাংলাদেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে পারেন।
ডেস্ক রিপোর্ট