আদালতের পিপি রফিক সরকার এ তথ্য জানান। দণ্ডপ্রাপ্ত ডা. রায়হান শরীফ সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের (বর্তমান সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ) কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ও শহরের দত্তবাড়ি মহল্লার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। ঘটনার পর তদন্ত শেষে তাকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমাল (২২) বগুড়ার ধুনট উপজেলার ধামাচাপা গ্রামের আব্দুল্লাহ আল আমিনের ছেলে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ সিরাজগঞ্জ শহীদ এম, মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের (বর্তমান সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ) একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় পরীক্ষা চলাকালে ছাত্র/ছাত্রীদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও ছোরা নিয়ে পরীক্ষা নিচ্ছিলেন ডা. রায়হান শরীফ। এক পর্যায়ে তার হাতে থাকা ব্যাগ থেকে একটি পিস্তল বের করে শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করেন। গুলিটি ডান পায়ে লেগে তমাল আহত হন। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থীরা ডা. রায়হান শরীফকে ক্লাসরুম আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন, বিদেশি ছোরা ও চাকুসহ রায়হান শরীফকে আটক করে। এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ ডিবি পুলিশের এসআই ওয়াদুদ আলী এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে পুলিশের দায়ের করা মামলায় আদালত ডা. রায়হান শরীফকে অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় ২১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামির হাজতবাসের দিনগুলো কারাদণ্ডের রায়ের সাথে সমন্বয় করা হবে। শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের করা মামলাটি এখনো বিচারধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পিপি রফিক সরকার।
ডেস্ক রিপোর্ট