ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাত থেমে গেলেও এখনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই পক্ষ।
সংঘাতের সময় ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলি স্থাপনায় আঘাত হানে। এতে পুরো অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। পরে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যা পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা হলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থায়ী চুক্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাঁচটি প্রধান বিষয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে—
পারমাণবিক কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান সম্পূর্ণভাবে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করুক, তবে ইরান নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সীমাবদ্ধতা মানতে রাজি।
ইউরেনিয়াম মজুত: যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের হেফাজতে নিতে চায়, যা তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে।
হরমুজ প্রণালী ও বন্দর অবরোধ: ইরান অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বিধিনিষেধ বজায় রাখার কথা বলছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির আগে অবরোধ প্রত্যাহারে রাজি নয়।
জব্দকৃত অর্থ: ইরান বিদেশে আটকে থাকা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার ফেরতের দাবি জানিয়েছে।
যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ: ইরান দাবি করেছে, হামলায় ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এই মতপার্থক্যের কারণে সাম্প্রতিক আলোচনাগুলো ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানা গেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: ৫ প্রধান শর্তে আটকে আছে স্থায়ী চুক্তি
- আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ১১:৫১:১৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ১১:৫১:১৫ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট