আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী Amir Khasru Mahmood Chowdhury। তিনি জানিয়েছেন, কিছু শর্ত পূরণে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই সেগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত International Monetary Fund সদর দফতরে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে সংস্থাটির দুটি টিমের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ঋণের কিস্তি ছাড় স্থগিত হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক খাতের সংস্কারে ধীরগতি, নতুন ব্যাংক রেগুলেশন আইন এবং রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতার কারণে আইএমএফ কিছু শর্ত পূরণে অসন্তুষ্ট। এসব কারণে ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ে বিলম্ব হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বর্তমানে আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ঋণ কর্মসূচির পরিমাণ ৫.৫ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে এখনও প্রায় ১.৮৬ বিলিয়ন ডলার বাকি রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুনের মধ্যে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার আশা করছে সরকার।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে তৎকালীন সরকারের সময় আইএমএফের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আইএমএফের শর্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারলে ঋণের কিস্তি ছাড় সহজ হবে। অন্যথায় দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়তে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট