ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে ইরান, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের সমন্বিত হামলার দাবি সামনে এসেছে, যেখানে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ইলাত ও উপকূলীয় হাইফাসহ একাধিক এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে। এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
হুতি-সমর্থিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ইরান ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা এই হামলা পরিচালনা করেছে এবং এতে ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন ইলাত শহরের দিকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের জবাব হিসেবে ইরানের পক্ষ থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৬ এপ্রিল) উপকূলীয় শহর হাইফায় একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর উদ্ধার অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া হামলায় আরও কয়েকজন আহত হন এবং আশপাশের স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
ইসরাইলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের সহায়তায় কয়েক ঘণ্টা ধরে পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সমন্বিত হামলার ঘটনা অঞ্চলটিতে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
ডেস্ক রিপোর্ট