তুরস্কের দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত
- আপলোড সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৯:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৩-২০২৬ ০৯:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৪ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই তুরস্কের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের চেষ্টা করেছে ইরান—এমন দাবি করেছে আঙ্কারা। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি তুরস্কের আকাশসীমায় পৌঁছানোর আগেই ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সময়মতো সেটি শনাক্ত করে ধ্বংস করে।
ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ভূমধ্যসাগর সংলগ্ন তুরস্কের ডর্টিওল জেলার ওপর পড়ে বলে জানানো হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বিবৃতিতে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, তুরস্কের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রতিকূল পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার অধিকার আঙ্কারার রয়েছে।
এদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান টেলিফোনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি–কে উদ্বেগের কথা জানান। কূটনৈতিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে—এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান। ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ন্যাটো–এর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান যখন অঞ্চলজুড়ে আক্রমণ চালাচ্ছে, তখন তুরস্কসহ সকল মিত্র দেশের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে ন্যাটো। তিনি দাবি করেন, জোটের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত ও কার্যকর রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।