ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর সুরক্ষিত বাসভবন ধ্বংস হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে তেহরানে অবস্থিত ওই কমপাউন্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আলামত দেখা গেছে। তবে খামেনির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে ভবনটি ধসে পড়া এবং আশপাশে বিস্ফোরণের চিহ্ন স্পষ্ট বলে উল্লেখ করেছে। ছবিতে কমপাউন্ডের একটি বড় অংশ কালো হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়, যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত বহন করে।
পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হামলা শুরু হয় বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian, খামেনি এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের বাসভবন লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency জানিয়েছে, তেহরানের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ ও খামেনির কমপাউন্ডের আশপাশে অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Associated Press (এপি) জানায়, হামলার আঘাত খামেনির কার্যালয়ের কাছাকাছিও লেগেছে।
এদিকে বার্তা সংস্থা Reuters জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে খামেনি তেহরান ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi এক বিবৃতিতে বলেন, “আমি যতদূর জানি, খামেনি জীবিত আছেন।”
পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে এবং হামলা অব্যাহত আছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক তৎপরতায় এর প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট