এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দীর্ঘদিনের ‘অবমূল্যায়নের’ অভিযোগ তুলে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদক বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। ৪৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনের ইতি টেনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি লেখেন, “একজন নেতার ভয়ঙ্কর ইগো আর কতিপয় দালালের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শহীদ জিয়ার গড়া দল থেকে অব্যাহতি নিলাম।” মাহাবুব মাস্টারের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ে মামলা-হামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করেও বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত হচ্ছিলেন।
জামায়াতে যোগদান অনুষ্ঠানে মাহাবুব মাস্টার বলেন, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির আদর্শিক জায়গাটি আজ কেবল মিথ্যার লেবেলে পরিণত হয়েছে। দলে লুটেরা ও দখলবাজদের প্রাধান্য বাড়ছে, যাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।” তিনি জামায়াতকে ‘সত্যের সৈনিক’ আখ্যা দিয়ে ইনসাফ কায়েমের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান শাহাদতসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। পদত্যাগের বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন দুঃখ প্রকাশ করে জানান, তাকে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি।
ডেস্ক রিপোর্ট