আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল থেকে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাদ দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা পর্যাপ্ত জনবল সংকটে পড়লে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে তাদের নিয়োগ দেওয়া যাবে। আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) ইসির নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাঠানো এক চিঠিতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল থেকে বেসরকারি ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান পরিপত্রে সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের জন্য যদি সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা পাওয়া না যায়, তবেই বেসরকারি ব্যাংকের জনবল ব্যবহার করা যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অতীত রেকর্ড ও নিরপেক্ষতা কঠোরভাবে যাচাই করার ওপর জোর দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রথমে সরকারি ও নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের দিয়ে প্যানেল চূড়ান্ত করার চেষ্টা করবেন। সেই তালিকা যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম হয়, তবেই দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনবল ব্যবস্থাপনায় এই ভারসাম্যমূলক নীতি গ্রহণ করেছে ইসি।
ডেস্ক রিপোর্ট