নির্বাচন কমিশন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত এই পদক্ষেপে জানানো হয়েছে যে, মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী এই ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। তারা মূলত ভোটগ্রহণের ২ দিন পর পর্যন্ত নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করবেন এবং যেকোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সংসদ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা ও প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতেই অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তাদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন— মোছা. মোস্তারী কাদেরী (কিশোরগঞ্জ), মো. সেলিম রেজা (ঝিনাইদহ), মো. নোমান হোসেন (খাগড়াছড়ি), এস. এম. শাহীন (যশোর), এইচ. এম. সালাউদ্দীন মনজু (চুয়াডাঙ্গা), মোহাম্মদ নূর-এ-আলম (পাবনা), মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদ (নোয়াখালী), মো. আসাদুজ্জামান (সাতক্ষীরা), অরুণ কৃষ্ণ পাল (হবিগঞ্জ), রেহেনুমা তারান্নুম (দিনাজপুর), মো. আবু রিয়াদ (বাগেরহাট), মো. নিজাম উদ্দিন (শরীয়তপুর), মেরিনা দেবনাথ (সুনামগঞ্জ)। এছাড়া খুলনায় দায়িত্ব পালন করবেন বেগম তাছলিমা আক্তার, কোহিনুর জাহান, সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি, মাহেরা নাজনীন, আরিফুল ইসলাম, এস, এম, মুস্তাফিজুর রহমান ও সাদিয়া আফরিন। দায়িত্ব চলাকালীন তারা প্রতিদিনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারকে প্রদান করবেন।
ডেস্ক রিপোর্ট