রয়টার্স এই গোপন আলোচনার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়টি ভিন্ন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, বৈঠকগুলো জনসমক্ষে আসেনি এবং অত্যন্ত আড়ালে পরিচালিত হয়েছে। সেখানে সিরীয় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকরা এসডিএফ-এর ভেতরের ফাটল কাজে লাগানো এবং আরব উপজাতীয় গোষ্ঠীগুলোকে নিজেদের পক্ষে আনার রোডম্যাপ তৈরি করেন। ওই সূত্রগুলোর দাবি, এই কৌশলগত আলোচনার কারণেই সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে কোনো বড় ধরনের প্রতিরোধ ছাড়াই এসডিএফ-এর শক্ত ঘাঁটিগুলোতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, প্যারিস ও ইরাকে এ ধরনের বৈঠক হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে, সিরীয় সরকার কেবল সামরিক শক্তি নয়, বরং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকে কাজে লাগিয়ে এসডিএফ-কে একঘরে করে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল। এসডিএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় আরব উপজাতিগুলোর ক্ষোভকে পুঁজি করে এবং কূটনৈতিক টেবিলে তাদের অবস্থান দুর্বল করে দিয়ে দামেস্ক তার হারানো সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল। রয়টার্সের এই তথ্য ফাঁস হওয়ার পর সিরিয়ার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কৌশলগত সক্ষমতা এবং গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
(সূত্র: রয়টার্স)
(সূত্র: রয়টার্স)
ডেস্ক রিপোর্ট