পুতিন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৮৬৭ সালে রাশিয়া প্রায় ১৭ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের আলাস্কাকে মাত্র ৭.২ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করেছিল। আধুনিক মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) হিসাব অনুযায়ী আজকের দিনে ওই অর্থের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৫৮ মিলিয়ন ডলার। এই সূত্র ধরে তিনি গ্রিনল্যান্ডের আয়তনের সঙ্গে তুলনা করেন। উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ডের আয়তন আলাস্কার চেয়েও বেশি—প্রায় ২১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গকিলোমিটার।
আলাস্কার সাথে আয়তনের আনুপাতিক ব্যবধান ও বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করে পুতিন জানান, সেই একই মানদণ্ডে গ্রিনল্যান্ডের সম্ভাব্য মূল্য হতে পারে আনুমানিক ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার। যদিও বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একটি কৌশলগত দ্বীপের প্রকৃত মূল্য এর চেয়ে কয়েক হাজার গুণ বেশি হতে পারে, তবুও পুতিন মূলত ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভূমি ক্রয়ের’ সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, পুতিনের এই মন্তব্য গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর মধ্যকার চলমান আলোচনাকে এক নতুন কূটনৈতিক মাত্রা দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট