নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ সহায়তা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভোটগ্রহণের দিন যেন কোনো কিছুর অভাব বোধ না হয়, সেদিকে বাহিনীকে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। এবার নির্বাচনে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা ও সিসিটিভির মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে প্রতিটি মুহূর্ত মনিটরিং করা হবে। প্রধান উপদেষ্টা আরও মনে করিয়ে দেন যে, ইসির নির্দেশনাই এখন চূড়ান্ত এবং সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ব্যাপক আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের ‘সুপার সিরিয়াস’ থাকার পরামর্শ দেন।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবার ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২৬টি দেশের পর্যবেক্ষকসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রায় ৩০০ সদস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। আজ মধ্যরাত থেকে প্রচারণা শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত। সাইবার স্পেসে গুজব ও তথ্য বিকৃতি রোধে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সচিব বলেন, দলীয় প্রতীক, গণভোট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হতে পারে, যা নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না ছড়ায়। সভায় তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট