ভুক্তভোগী কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সি ‘কাশিপুর ওভারসিজ’ (আরএল-১৩১৭)-এর মাধ্যমে তারা রাশিয়ায় যান। সেখানে পৌঁছানোর পর নিয়মিত কাজ শুরু করলেও সম্প্রতি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই তাদের চাকরি বাতিল করে দেয়। পর্যায়ক্রমে মোট ১২০ জন কর্মীকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তের ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে বিদেশ যাওয়া এই শ্রমিকরা এখন সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে।
এ বিষয়ে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থাপক ও আন্তর্জাতিক ‘টিআইপি হিরো’ অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত আল-আমিন নয়ন বলেন, “বিদেশে কর্মী পাঠানোর পর তাদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রিক্রুটিং এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই কর্মীদের ছাঁটাই করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
বৈধ পথে গিয়েও কর্মসংস্থান হারানোর এই ঘটনায় বিএমইটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুক্তভোগী কর্মীরা তাদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং পুনর্বাসনের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ডেস্ক রিপোর্ট