মোবাইল নিবন্ধন চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৭:২২:১২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-০১-২০২৬ ০৭:২২:১২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা বা 'ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার' (এনইআইআর) পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবন এলাকা। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার পরপরই বিক্ষুব্ধ মোবাইল ব্যবসায়ীরা টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি কার্যালয়ে আকস্মিক হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর একাধিক দল মোতায়েন করা হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এদিন বিকেল ৪টার পর একদল মোবাইল ব্যবসায়ী লাঠিসোঁটা নিয়ে বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান জানান, ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত আকস্মিকভাবে এই হামলা চালিয়েছেন। বিটিআরসির একজন কর্মকর্তা জানান, আসরের নামাজের সময় ভবনের ভেতরে বিকট শব্দে ইটপাটকেল এসে পড়তে শুরু করলে কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
মূলত কর ফাঁকি দিয়ে দেশে আসা অবৈধ, ক্লোনড এবং পুরোনো হ্যান্ডসেটের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ এই পদ্ধতির বিরোধিতা করে আসছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এনইআইআর চালু হলে কেবল বৈধভাবে আমদানিকৃত এবং নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটগুলোই মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকবে, যা জননিরাপত্তা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরুরি। এর আগে ১৬ ডিসেম্বর এই পদ্ধতি চালুর কথা থাকলেও ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের মুখে তা ১৫ দিন পিছিয়ে ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বিটিআরসি স্পষ্ট করেছে যে, এই পদ্ধতি চালুর আগে নেটওয়ার্কে থাকা কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।