গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি এখন ‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’: সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-১২-২০২৫ ০৭:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-১২-২০২৫ ০৭:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর কূটনৈতিক জোন গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে সড়কটির নতুন নামফলক উন্মোচন করা হয়। উল্লেখ্য, এই সড়কটি ভারতীয় দূতাবাসের পাশ দিয়েই প্রসারিত, যা সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একটি প্রতীকী প্রতিবাদ ও আত্মমর্যাদার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সীমান্তে আর কোনো রক্তপাত চায় না। ২০১১ সালে কিশোরী ফেলানীর ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, তা যেন বিশ্ব বিবেককে প্রতিদিন স্মরণ করিয়ে দেয়—সেই লক্ষ্যেই এই নামকরণ। বর্তমান সরকার আত্মমর্যাদা বজায় রেখে সব ধরনের সীমান্ত হত্যা বন্ধে বদ্ধপরিকর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ফেলানী অ্যাভিনিউ’ কেবল একটি নাম নয়, বরং এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এক নতুন দিগন্ত। এটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে নিজের অধিকার ও সম্মান নিয়ে কথা বলতে জানে। প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্কের অঙ্গীকারই এই সড়কের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী ফেলানী হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই সড়কটি বারবার আমাদের সেই নির্মম স্মৃতি মনে করিয়ে দেবে এবং মানবাধিকার রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার পর ফেলানীর লাশ দীর্ঘ চার ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে থাকার সেই দৃশ্য আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার ঝড় তুলেছিল। এক দশকেরও বেশি সময় পর সেই স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হলো।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।