লুইসভিলে ইউপিএস কার্গো প্লেন বিধ্বস্তের পর যুক্তরাষ্ট্রে সব এমডি-১১ উড়োজাহাজ সাময়িকভাবে গ্রাউন্ডেড
- আপলোড সময় : ০৯-১১-২০২৫ ০৩:১৭:৪৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১১-২০২৫ ০৩:১৭:৪৫ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কেন্টাকির লুইসভিলে ইউপিএসের ম্যাকডোনেল ডগলাস এমডি-১১ কার্গো প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) সব এমডি-১১ ধরনের উড়োজাহাজের উড্ডয়ন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে দ্রুত নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার এলাকায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন নয়জন। বিধ্বস্ত বিমানের ধাক্কা ও পরবর্তী আগুনে আশপাশের ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। উদ্ধারকাজে এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে কাজ করছে স্থানীয় জরুরি সেবা টিম।
শনিবার (৮ নভেম্বর) এফএএ জানায়, জরুরি পরিদর্শন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এমডি-১১ ও এমডি-১১এফ মডেলের কোনো উড়োজাহাজ আকাশে ওড়ানো যাবে না। বোয়িংয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। ইউপিএস ও ফেডএক্স ইতোমধ্যে তাদের বহরের ৫০টিরও বেশি এমডি-১১ উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড করেছে।
দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল ৩৪ বছরের পুরোনো। কার্গো উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এ বয়স অস্বাভাবিক না হলেও, এর রক্ষণাবেক্ষণ রেকর্ড ও প্রযুক্তিগত কার্যক্ষমতা নিয়ে তদন্ত চলছে।
ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) উদ্ধার করা দুই ঘণ্টার ককপিট অডিও বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, ফ্লাইট ক্রু নিয়মিত চেকলিস্ট অনুসরণ করেছিল এবং টেকঅফে কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি। এরপর কীভাবে বিমানে আগুনের সূত্রপাত হলো, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এফএএ জানায়, তদন্ত চলমান থাকায় পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশে আরও সময় লাগবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।