বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’, মঙ্গলবার অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের সম্ভাবনা
- আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৫ ১০:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৫ ১০:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঝড়টি মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে সমুদ্র অস্থির হয়ে উঠেছে এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ‘মোন্থা’ ঘূর্ণিঝড় বর্তমানে উত্তর, উত্তর-পশ্চিমমুখে অগ্রসর হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ১৩২৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১২৭৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১২০৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে অধিদফতর।
ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের উত্তরাংশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।