ভেনেজুয়েলায় সিআইএর গোপন অভিযান অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প, চরম উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কে
- আপলোড সময় : ১৬-১০-২০২৫ ০৮:০৯:১০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১০-২০২৫ ০৮:০৯:১০ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৫১ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ট্রাম্পের দাবি, মাদক পাচার ও অবৈধভাবে অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কারাকাস সরকারের অভিযোগ— দেশটির সরকার পতনের জন্য অভ্যুত্থান ঘটাতে সিআইএকে ব্যবহার করছে মার্কিন প্রশাসন।
ক্যারিবিয়ান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ঘিরে দুই দেশের মধ্যে আগেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মাদক পাচারের অজুহাতে কারাকাসের নৌযানে মার্কিন বাহিনীর হামলার অভিযোগও উঠেছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়, ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় সিআইএর গোপন অভিযান অনুমোদন দিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে হাজার হাজার অপরাধী ও মানসিক রোগীকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার হচ্ছে।
তার ভাষায়, “ভেনেজুয়েলা তাদের কারাগার খালি করে বন্দিদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছে। তারা সীমান্ত পেরিয়ে এসেছে, কারণ সীমান্ত তখন কার্যত উন্মুক্ত ছিল। হাজার হাজার বন্দি ও মানসিক রোগী যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে। তাছাড়া, ভেনেজুয়েলা থেকে সমুদ্রপথে প্রচুর মাদকও ঢুকছে।”
অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করেছেন, মাদক পাচার ঠেকানো নয়, বরং অভ্যুত্থান ঘটানোর লক্ষ্যেই সিআইএকে অভিযান পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাই না। আফগানিস্তান, ইরাক বা লিবিয়ার মতো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আর দেখতে চাই না। আমরা সিআইএ পরিচালিত কোনো অভ্যুত্থান চাই না।”
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি মোকাবিলায় ভেনেজুয়েলা ব্যাপক রণপ্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির সাধারণ মানুষ দলে দলে যোগ দিচ্ছে সামরিক বাহিনীতে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।