নির্বাচনে পুলিশের জন্য বডিক্যাম কিনছে সরকার, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে ইউএনডিপি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ০২:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৯-২০২৫ ০৯:৫৮:০৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা ও ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে ৪০ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা (বডিক্যাম) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ক্রয় প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর মাধ্যমে ক্যামেরাগুলো কেনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গত ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রথমবার পুলিশের জন্য বডিক্যাম কেনার বিষয়টি আলোচিত হয়। এর পরদিন প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পোস্টেও দ্রুত এই ক্যামেরাগুলো ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়। হাজার হাজার পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পরই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো বডিক্যাম কেনার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করে।
সভা শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পণ্যের মান ও দাম নিয়ে যে অনিশ্চয়তা থাকে, তা এড়াতেই ইউএনডিপির মাধ্যমে এই ক্যামেরাগুলো কেনা হচ্ছে। এতে করে মান ও দামের নিশ্চয়তা থাকবে এবং কোনো ধরনের দর কষাকষির প্রয়োজন হবে না। তিনি আরও বলেন, এই ক্রয়ের সম্পূর্ণ অর্থ সরকার বহন করবে। বডিক্যাম কেনার জন্য কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে তা নির্দিষ্টভাবে না জানালেও, তিনি ইঙ্গিত দেন যে এর জন্য কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
উল্লেখ্য, এই ক্যামেরাগুলোর মালিকানা থাকবে পুলিশের হাতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে নয়। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনকালীন সকল প্রয়োজনীয় বিষয়ে সহযোগিতা করবে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি ব্যাংক থেকে ডলার কিনে রাখছে বলেও অর্থ উপদেষ্টা জানান।
বডি ক্যামেরা হলো ছোট আকারের ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডিং ডিভাইস, যা পুলিশ সদস্যদের ইউনিফর্মে লাগানো থাকে। এটি রিয়েল-টাইমে অডিও ও ভিডিও ধারণ করে, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার ঘটনাগুলোর সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়, যা অপ্রয়োজনীয় বলপ্রয়োগ বা দুর্ব্যবহারের ঝুঁকি কমিয়ে জনগণের আস্থা বাড়ায়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।