মাদক উৎপাদন ও পাচারে জড়িত ২৩ দেশের তালিকা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প, রয়েছে ভারত-পাকিস্তান-চীন
- আপলোড সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ১০:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ১০:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের ২৩টি দেশকে বড় ধরনের মাদক উৎপাদক বা পাচারকারী দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের নামও রয়েছে। গত সোমবার কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক প্রেসিডেন্সিয়াল ডিটারমিনেশনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকনোমিক টাইমস।
তালিকাভুক্ত দেশগুলো হলো— আফগানিস্তান, বাহামা, বেলিজ, বলিভিয়া, মিয়ানমার, চীন, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডোমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, জ্যামাইকা, লাওস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, পানামা, পেরু ও ভেনেজুয়েলা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ভাষ্যমতে, ভৌগোলিক অবস্থান এবং বাণিজ্যিক-অর্থনৈতিক উপাদানের কারণে এসব দেশ মাদক উৎপাদন ও পাচারের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তবে তালিকাভুক্ত হওয়া মানেই যে দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে না— তা নয়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, গত এক বছরে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, মিয়ানমার, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী চুক্তির শর্ত পূরণে বা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে গুরুতরভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
চীন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশটি অবৈধ ফেন্টানিল উৎপাদনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঁচামাল সরবরাহকারী। এছাড়া চীন থেকে নাইটাজিনস ও মেথঅ্যামফেটামিনসহ কৃত্রিম মাদক বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। তার মতে, বেইজিংকে এ প্রবাহ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ফেন্টানিল ও অন্যান্য প্রাণঘাতী মাদক আমদানির কারণে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে জাতীয় জরুরি পরিস্থিতির মুখোমুখি। মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এগুলো এখনও ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।