প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণের সুপারিশ
যুবকদের মাদক থেকে দূরে রাখতে প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
- আপলোড সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৮:৪০:৩৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৮:৪০:৩৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের সুপারিশ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে বেকার যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন এবং নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তাঁর বিশেষ আমন্ত্রণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য মোরশেদ মিলটন, অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, মো. ফজলে হুদা, কামরুজ্জামান কামরুল, আলফারুক আব্দুল লতীফ, শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) ও মো. আতাউর রহমান অংশ নেন।
বৈঠকের শুরুতে কমিটির সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এ সময় সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কেও কমিটিকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)’-এর প্রচার বাড়াতে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও কর্মমুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি বেকার যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের সব উপজেলায় প্রতিবছর নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের সুপারিশ করা হয়েছে।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। নির্মাণকাজে ঠিকাদাররা যাতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করতে না পারেন, সে জন্য যথাযথ তদারকি ও মান নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ করেছে কমিটি।
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের হয়রানি প্রতিরোধেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সুপারিশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিব, বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধান, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।