উচ্চশিক্ষায় দক্ষ জনবল তৈরির তাগিদ রাষ্ট্রপতির
দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের উপযোগী জনশক্তি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান
- আপলোড সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৩:২১:২৫ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৩:২১:২৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারত্ব কমানো এবং দেশ-বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কর্মমুখী ও মানসম্মত শিক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাব্যয় মওকুফে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বঙ্গভবনে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য অর্জনে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও কাজের উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, করপোরেট সংস্থা ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে দেশে উচ্চশিক্ষিত অনেক মানুষ কর্মহীন রয়েছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিগরি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার মান বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শিল্প ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দক্ষ ও কর্মক্ষম কর্মী তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দাতব্য ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আদলে পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিবছর মেধাবী, অসচ্ছল ও বিশেষ কোটার শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপর বিভিন্ন হারে ছাড় ও বৃত্তি দিতে গড়ে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়।
এ সময় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিবসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সচিব, সদস্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।