চুয়েটে শিক্ষক সদস্যদের ছাড়াই উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভা
শাটডাউনের ২৫তম দিনে অনলাইনে সভা, অচলাবস্থা নিরসনে সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না নিশ্চিত নয়
- আপলোড সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১০:৫৬:৫০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১০:৫৬:৫০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৪ বার পঠিত
ছবি—সংগৃহীত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান শাটডাউন ও অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যেই সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সভায় উপাচার্য ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অংশ নেওয়া সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের ছয়জন শিক্ষক সদস্যের কেউ সভায় উপস্থিত ছিলেন না। সভার বিষয়ে উপাচার্য নিজেই বিস্তারিত জানাবেন বলে তিনি এ নিয়ে আর কিছু বলতে চাননি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন চলছে। গত সোমবার সকালে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁকে ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে আবার তালা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভের মুখে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্যাম্পাসে ফিরে তিনি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন।
চুয়েটের সিন্ডিকেটে উপাচার্যসহ মোট ১৭টি সদস্যপদ রয়েছে। তবে সহ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য। বাকি ১৫ জন সদস্যের মধ্যে সভায় কতজন উপস্থিত ছিলেন, তা জানা যায়নি।
সভার সিদ্ধান্ত জানতে উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করা কিংবা চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার ছিল শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক শাটডাউনের ২৫তম দিন। পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি এবং অসহযোগ কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।