ইন্দোনেশিয়ায় যুক্ত হলো প্রথম বিমানবাহী রণতরি ‘KRI Sriwijaya’
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে ইতালি থেকে সংগৃহীত প্রাচীন সাম্রাজ্যের নামে নামকরণকৃত এই রণতরি জাকার্তার তানজুং প্রিয়ক নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৯-০৯-২০২৬ ০৮:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০৯-২০২৬ ০৮:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৭৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়াতে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম বিমানবাহী রণতরি বহরে যুক্ত করেছে ইন্দোনেশিয়া। শুক্রবার ইতালির নৌবাহিনীর ব্যবহৃত রণতরি 'জুসেপ্পে গ্যারিবল্ডি' (Giuseppe Garibaldi) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার তানজুং প্রিয়ক নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। সামরিক বিশেষ মর্যাদায় জাহাজটিকে স্বাগত জানানো হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
নতুন বিমানবাহী রণতরিটির নামকরণ করা হয়েছে 'কেআরআই শ্রীবিজয়া' (KRI Sriwijaya)। সপ্তম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে প্রভাব বিস্তারকারী প্রাচীন সুমাত্রা কেন্দ্রিক 'শ্রীবিজয়া সাম্রাজ্যের' নামানুসারে এই নাম দেওয়া হয়েছে।
সামরিক সক্ষমতা: ১৮০ মিটার দীর্ঘ এই রণতরিটিতে একসাথে অন্তত ১৮টি হেলিকপ্টার রাখা সম্ভব এবং এতে ৮৩০ জন সামরিক সদস্য অবস্থান করতে পারবেন।
সংগ্রহের মাধ্যম: ১৯৮৫ সালে ইতালীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হওয়া এই জাহাজটি ২০১৪ সালে অবসর দেওয়া হয়। চলতি বছরের মার্চে ইতালির সাথে চুক্তির অংশ হিসেবে এটি ইন্দোনেশিয়াকে হস্তান্তর করা হয়।
বাজেট: প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করে। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছর রণতরিটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে দেশটির নৌবাহিনী।
ব্যবহার ও কৌশলগত গুরুত্ব:
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো ও নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল মুহাম্মদ আলী জানান, দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত দূরবর্তী অঞ্চলে ত্রাণ ও সামরিক সহায়তা পাঠাতে বড় ধরনের হেলিকপ্টার বাহক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন ছিল। তবে প্রয়োজনবোধে যুদ্ধকালীন অভিযানেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
সাবেক সেনা জেনারেল প্রাবোও সুবিয়ান্তোর প্রশাসনে ইন্দোনেশিয়া তাদের সামরিক ব্যবস্থা আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে। ইতোপূর্বে ফ্রান্সের তৈরি ৪২টি রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তি এবং ভারতের কাছ থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। 'কেআরআই শ্রীবিজয়া'-এর সংযোজন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রসীমায় ইন্দোনেশিয়ার সামরিক ভারসাম্য ও উপস্থিতি আরও সুদৃঢ় করবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।